কৃষ্ণ গহবর: মহাবিশ্বের সমাপ্তি? | Black Hole

আইনস্টাইন তাঁর আপেক্ষিক তত্ত্বে (theory of relativity) উল্লেখ করেছেন, মহাকর্ষের ক্রিয়া আলোর উপরে রয়েছে। যদি কোন বস্তু এমন অতি ঘন হয়ে যায় যে, ঘন বস্তুটির মহাকর্ষ টানে আলো পুরোপুরি আটকে যাবে। তখন ঐ বস্তুটিকে পুনরায় দেখা যাবে না। আপেক্ষিক তত্ত্ব (theory of relativity) অনুযায়ী, এমন বস্তুটিকে প্রকৃত অদৃশ্য বস্তু বলা যেতে পারে। এরূপ অতি ঘন বস্তুর অস্তিত্বের ধারণা থেকেই কৃষ্ণ গহবর ধারণাটির জন্ম হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পদার্থবিদ জন হুইলারের মত অনুযায়ী, মহাবিশ্ব সংকুচিত হতে হতে একটি অতি ঘন বস্তুতে পরিণত হবে। আর এর নামই হল কৃষ্ণ গহবর বা কৃষ্ণবিবর। অনেকের মনে একটি প্রশ্ন আছে যে, কৃষ্ণ গহবরই কি মহাবিশ্বের সমাপ্তি? সম্ভবত এ রকম নাও হতে পারে। আবার কোন কোন জ্যোতির্বিদের মতে, কৃষ্ণ গহবর থেকে শ্বেত গহবর সৃষ্টি হতে পারে। তখন আবার মহাবিশ্বের সম্প্রসারণের পর্ব শুরু হতে পারে। কালক্রমে আবার সংকোচন এবং কৃষ্ণ গহবর হতে পারে। মহাবিশ্বের অনন্তকাল সম্ভবত এমনিভাবেই চলতে থাকতে পারে। [সংকলিত]


[Tags: krishnabibar, krishna gahabar, ব্লাক হোল]


Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *