চীনা সভ্যতা: নদীকেন্দ্রিক বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন সভ্যতা

চৈনিক/চীনা সভ্যতা নদীকেন্দ্রিক বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন সভ্যতা। ইতিহাসবিদদের মতে, এ সভ্যতার উদ্ভব চীনের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের তারিম উপত্যকায়। হোয়াংহো ও ইয়াংসিকিয়া নদীর তীর বরাবর গড়ে উঠেছিল প্রাচীন এ নগর সভ্যতা। নিচে এ সভ্যতা সম্পর্কে সংক্ষেপে তুলে ধরা হল:

১. চৈনিক সভ্যতা গড়ে উঠেছিল- খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দে(আনুমানিক)।
২. প্রাচীন চীন সভ্যতা গড়ে উঠেছিল- হোয়াংহো,ইয়াংসিকিয়া নদীর তীরে এবং দক্ষিণ চীনে।
৩. কনফুসিয়াসের দর্শন ধর্মে পরিণত হয়- খ্রিস্টপূর্ব ২০৬ অব্দে।
৪. চীনা জনগোষ্ঠী মূলত যে বংশোদ্ভূত- মঙ্গোলীয়।
৫. ঘুড়ির জন্ম হয়- প্রাচীন চীনে।
৬. শিয়া বংশ– চীনের প্রথম রাজবংশ।
৭. চীনারা ব্যবহার জানত– ব্রোঞ্জ ধাতু ও জেড পাথরের।
৮. চীনের রাজাকে বলা হত– Son of Gold।
৯. মহাবীর শিহুয়াংতিকে- চীনের নেপোলিয়ন বলা হয়।
১০.মঙ্গোলীয়দের আক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য- চীনের মহাপ্রাচীর নির্মাণ করা হয়। [সংকলিত]


[Keywords: China Civilization, International Affairs, International History, World Ancient Urban Settlement, General knowledge book, GK, History of 3000 BCE. Ancient Civilization, প্রাচীন সভ্যতা, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি]


 

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *