মানিকগঞ্জের বালিয়াটি জমিদার বাড়ি: বর্তমানে বালিয়াটি প্রাসাদ জাদুঘর

বালিয়াটি জমিদার বাড়ি [বালিয়াটি প্রাসাদ জাদুঘর]

অবস্থান: মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলাধীন বালিয়াটি নামক গ্রামের বালিয়াটি জমিদার বাড়িতে এ প্রাসাদ জাদুঘরটি অবস্থিত। রাজধানী ঢাকার গাবতলী বাস স্টেশন থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে ঢাকা-মানিকগঞ্জ মহাসড়কের কালামপুর বাস স্ট্যান্ড অবস্থিত। কালামপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে আঁকা-বাঁকা সড়কপথে প্রায় ১৫ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিম দিকে সাটুরিয়া উপজেলা বাস স্ট্যান্ড। সাটুরিয়া উপজেলা এ বাস স্ট্যান্ড থেকে আরও প্রায় ৩ কিলোমিটার উত্তর দিকে এগিয়ে গেলে ঐতিহাসিক বালিয়াটি জমিদার বাড়িটি দেখা যায়। আর এ জমিদার বাড়ির প্রাচীন ও নান্দনিক প্রাসাদসহ অন্যান্য স্থাপনাকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে বালিয়াটি প্রাসাদ জাদুঘর। উল্লেখ যে, বালিয়াটি জমিদার বাড়ি থেকে প্রায় ৩.৮ কিলোমিটার উত্তর দিক দিয়ে ধলেশ্বরী নদী, প্রায় ২.৫ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিক দিয়ে বংশী নদী এবং প্রায় ৩ কিলোমিটার দক্ষিণ দিক দিয়ে গাজীখালী নদী প্রবাহিত রয়েছে।

মানচিত্র:বালিয়াটি জমিদার বাড়ির [বালিয়াটি প্রাসাদ জাদুঘর] অবস্থান।

স্থাপত্যিক বিবরণ: উচু সীমানা প্রাচীর, সিংহ দরজা, নান্দনিক প্রাসাদ, সানবাঁধানো ঘাটবিশিষ্ট পুকুর প্রভৃতি নিয়ে গড়ে উঠা একক বৈশিষ্ট্যের প্রাচীন নিদর্শন বালিয়াটি জমিদার বাড়ি। দক্ষিণমুখী এ জমিদার বাড়ির সামনের প্রাচীরের সাথে রয়েছে ৪টি সিংহ দরজা বা মূল প্রবেশপথ ও ৫টি কাচারিঘর। এরপরে উত্তর দিকে রয়েছে পূর্ব থেকে পশ্চিমে সারিবদ্ধ ৪টি নান্দনিক প্রাসাদ। সারিবদ্ধ এ প্রাসাদগুলোর পিছনে রয়েছে ২টি পুজার ঘর এবং কথিত অন্দরমহলের আরও ৩টি প্রসাদ। এ বাড়িটির পশ্চিমাংশের তিন তলাবিশিষ্ট প্রাসাদটির পিছনে রয়েছে আরও ১টি দোতলা স্থাপনা। উত্তরাংশে রয়েছে ৬টি সানবাঁধানো ঘাটবিশিষ্ট ১টি পুকুর। পুকুরটির পিছনে উত্তরের সীমানা প্রাচীর সাথে লাগোয়া গুচ্ছ শৌচাগার রয়েছে। এছাড়া বাড়িটির বিভিন্ন স্থানে কতকগুলো পাতকুয়াও রয়েছে। এ জমিদার বাড়ির স্থাপত্য সম্পর্কে ধারাবাহিকভাবে নিন্মে তুলে ধরা হল।

চিত্র: বালিয়াটি জমিদার বাড়ির [বালিয়াটি প্রাসাদ জাদুঘর] সাইটপ্লান।

সিংহ দরজা ও কাচারি ঘর: উচু সীমানা প্রাচীর ঘেরা বালিয়াটি জমিদার বাড়ির সামনের দক্ষিণ দেয়ালে রয়েছে সর্বমোট ৪টি সিংহ দরজা বা মূল প্রবেশপথ। অর্ধবৃত্তাকার খিলানবিশিষ্ট প্রতিটি প্রবেশপথের উপরে ১টি করে সিংহ রয়েছে। প্রতিটি সিংহের সামনের ১টি পায়ের নিচে রয়েছে ১টি করে বল। সিংহ দরজার সর্ব পশ্চিমের ১টিতে অলংকৃত কপাট দেখা যায়। অলংকৃত এ কপাটটি সম্ভবত এ জমিদার বাড়ির নির্মাণকালীন আদি নিদর্শন হতে পারে।

চিত্র: বালিয়াটি জমিদার বাড়ির [বালিয়াটি প্রাসাদ জাদুঘর] সামনে সিংহ দরজা বা মূল প্রবেশপথ ও কাচারি ঘর।

ইট ও চুন-সুরকি দিয়ে নির্মিত এ সিংহ দরজাগুলোর উভয় পাশে লাগোয়া ৫টি কাচারি ঘর রয়েছে। প্রাচীরের সাথে লাগোয়া এ কাচারি ঘরগুলো পূর্ব থেকে পশ্চিমে লম্বা। একাধিক কক্ষবিশিষ্ট ও সরু এ কাচারি ঘরগুলোর মধ্যে মাঝখানের ৩টি ঘর আকারে বেশি লম্বা। এ লম্বা ৩টি কাচারি ঘরের প্রতিটির উত্তর ও দক্ষিণ দেয়ালে ৭টি করে সর্বমোট ১৪টি প্রবেশপথ রয়েছে। তবে সবচেয়ে পূ্র্ব ও পশ্চিম কোণের কাচারি ঘর দু’টি আকারে ছোট। কাচারি ঘরগুলোর মধ্যে ছোট-বড় কুলঙ্গি ও দেয়াল আলমারী রয়েছে। সেগমেন্টাল খিলানবিশিষ্ট প্রতিটি প্রবেশপথের চৌকাঠ ও কপাটে ব্যবহার করা হয়েছে কাঠ ও লোহা। কাচারি ঘরগুলোর ছাদ তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে লোহার বিম, কড়ি-বরগা, টালি ও চুন-সুরকি।

সারিবদ্ধ চার নান্দনিক প্রাসাদ: সামনের দেয়াল, সিংহ দরজা ও কাচারি ঘরগুলো থেকে উত্তর দিকে স্বল্প দূরত্বে রয়েছে বালিয়াটি জমিদার বাড়ির সারিবদ্ধ ৪টি নান্দনিক প্রাসাদ। প্রতিটি প্রাসাদের কেন্দ্র প্রায় সিংহ দরজার বরাবর অবস্থিত। দক্ষিণমুখী এ প্রাসাদগুলো পূর্ব-পশ্চিমে সারিবদ্ধভাবে নির্মাণ করা হয়েছে।  

চিত্র: বালিয়াটি জমিদার বাড়ির [বালিয়াটি প্রাসাদ জাদুঘর] সারিবদ্ধ চার নান্দনিক প্রাসাদ।

সারির সবচেয়ে পূর্ব ও পশ্চিম দিকে অবস্থিত প্রাসাদ দু’টি একই আদলে নির্মিত এবং তিন তলাবিশিষ্ট। তবে উভয় প্রাসাদের আর্কিট্রেভ (architrave), ফ্রিজ (frieze), ছাদের কার্ণিস (cornice) ও প্রাচীরের (parapet) অলংকরণে কিছু বৈসাদৃশ্য লক্ষ্য করা যায়। পূর্ব দিকের প্রাসাদটির আর্কিট্রেভ, ফ্রিজ, ছাদের কার্ণিস ও প্রাচীরে ফুল, লতা-পাতা, নর-নারীর প্রতিকৃতি ও শীর্ষচূড়া (finial) রয়েছে। কিন্তু পশ্চিম পাশের প্রাসাদটিতে তা দেখা যায় না। সম্ভবত আধুনিক সংস্কার কাজ করার সময় পশ্চিম পাশের প্রাসাদটির আর্কিট্রেভ, ফ্রিজ, ছাদের কার্ণিস ও প্রাচীরের ফুল, লতা-পাতা, নর-নারীর প্রতিকৃতি ও শীর্ষচূড়াগুলো বিলুপ্ত হতে পারে।

চিত্র: বালিয়াটি জমিদার বাড়ির [বালিয়াটি প্রাসাদ জাদুঘর] সারিবদ্ধ চার নান্দনিক প্রাসাদের সর্বপূর্বের প্রাসাদ।

চিত্র: বালিয়াটি জমিদার বাড়ির [বালিয়াটি প্রাসাদ জাদুঘর] সারিবদ্ধ চার নান্দনিক প্রাসাদের সর্বপশ্চিমের প্রাসাদ।

এ প্রাসাদ দু’টির সামনের দেয়ালে কোরিন্থিয়ান স্তম্ভ (corinthian column) রয়েছে। স্তম্ভগুলো ঢালাই লোহার অলংকৃত রেলিং দিয়ে একটি অপরটির সাথে সংযুক্ত রয়েছে। তবে উভয় প্রাসাদের রেলিংয়ের অলংকরণে ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়েছে। বহু কক্ষবিশিষ্ট এ প্রাসাদ দু’টির সামনে ও পিছনে টানা ও সরু বারান্দা রয়েছে। প্রতিটি কক্ষের প্রবেশ পথগুলোতে সেগমেন্টাল খিলানের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। উভয় প্রাসাদের পিছনের প্রতিটি তলার বারান্দার দেয়ালে অর্ধবৃত্তাকার খিলানবিশিষ্ট তোরণ (arcade) রয়েছে। তবে পশ্চিম পাশের প্রাসাদটির প্রায় মাঝখানে ঝুলন্ত বারান্দা দেখা যায়। এ প্রাসাদ দু’টির পূর্ব ও পশ্চিম পাশের দেয়ালে অলংকৃত কাঠ ও লৌহ শোভিত ঝুলন্ত বারান্দা দেখা যায়। তবে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে এবং বাহির দেয়ালের বাহ্যিক অবয়ব দেখে মনে হয়, প্রতিটি প্রাসাদের পূর্ব ও পশ্চিম পাশের দেয়ালে ঝুলন্ত বারান্দা ছিল।

সারির মাঝখানে অবস্থিত প্রাসাদ দু’টি একই আদলে নির্মিত এবং দোতলাবিশিষ্ট। তবে উভয় প্রাসাদের আর্কিট্রেভ, ফ্রিজ, ছাদের কার্ণিস ও প্রাচীরের অলংকরণে কিছু বৈসাদৃশ্য লক্ষ্য করা যায়। পূর্ব দিকের প্রাসাদটির ছাদের প্রাচীরে শীর্ষচূড়া (finial) রয়েছে। কিন্তু পশ্চিম পাশের প্রাসাদটিতে তা দেখা যায় না। সম্ভবত আধুনিক সংস্কার কাজ করার সময় পশ্চিম পাশের প্রাসাদটির প্রাচীরের শীর্ষচূড়াগুলো বিলুপ্ত হতে পারে। তবে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে এবং বাহির দেয়ালের বাহ্যিক অবয়ব দেখে মনে হয়, মাঝখানের দু’টি প্রাসাদেও পূর্ব দিকের প্রাসাদটির আর্কিট্রেভ, ফ্রিজ, ছাদের কার্ণিস ও প্রাচীরের মত অলংকরণে ছিল।

চিত্র: বালিয়াটি জমিদার বাড়ির [বালিয়াটি প্রাসাদ জাদুঘর] সারিবদ্ধ চার নান্দনিক প্রাসাদের মাঝখানের পূর্ব প্রাসাদ।

চিত্র: বালিয়াটি জমিদার বাড়ির [বালিয়াটি প্রাসাদ জাদুঘর] সারিবদ্ধ চার নান্দনিক প্রাসাদের মাঝখানের পশ্চিম প্রাসাদ।

এ প্রাসাদ দু’টির সামনের দেয়ালেও কোরিন্থিয়ান স্তম্ভ (corinthian column) রয়েছে। স্তম্ভগুলো ঢালাই লোহার অলংকৃত রেলিং দিয়ে একটি অপরটির সাথে সংযুক্ত রয়েছে। তবে উভয় প্রাসাদের রেলিংয়ের অলংকরণেও ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়েছে। বহু কক্ষবিশিষ্ট এ প্রাসাদ দু’টির সামনে ও পিছনে টানা ও সরু বারান্দা রয়েছে। প্রতিটি কক্ষের প্রবেশ পথগুলোতে সেগমেন্টাল খিলানের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। উভয় প্রাসাদের সামনের নিচ তলার বারান্দায় সেগমেন্টাল খিলানবিশিষ্ট ও দোতলায় অর্ধবৃত্তাকার খিলানবিশিষ্ট তোরণ এবং পিছনের প্রতিটি তলার বারান্দার দেয়ালে অর্ধবৃত্তাকার খিলানবিশিষ্ট তোরণ (arcade) রয়েছে।

সারিবদ্ধ চারটি প্রাসাদের সাধারণ বিশেষত্ব হল- সামনের দেয়ালে কোরিন্থিয়ান স্তম্ভ (corinthian column), বারান্দায় ঢালাই লোহার অলংকৃত রেলিং, প্রতিটি তলার ছাদে লোহার বিম, কড়ি-বরগা, টালি ও চুন-সুরকি, বারান্দার তোরণ ও প্রবেশ পথগুলোতে সেগমেন্টাল খিলান ও অর্ধবৃত্তাকার খিলান এবং প্রবেশপথগুলোতে কাঠের চৌকাঠ, খড়খড়িবিশিষ্ট কাঠের কপাট এবং অলংকৃত কাচের কপাটের ব্যববহার রয়েছে।

চিত্র: বালিয়াটি জমিদার বাড়ির [বালিয়াটি প্রাসাদ জাদুঘর] সারিবদ্ধ চার নান্দনিক প্রাসাদে ব্যবহৃত বিভিন্ন প্রকারের র‌্যালিং।

চিত্র: বালিয়াটি জমিদার বাড়ির [বালিয়াটি প্রাসাদ জাদুঘর]  প্রাসাদের বিভিন্ন প্রকারের অলংকরণ।

পুজার ঘর: সারিবদ্ধ চারটি প্রাসাদের পিছনে এবং অন্দরমহলের প্রাসাদের সামনে ২টি পুজার ঘর রয়েছে। দক্ষিণমুখী এ পুজার ঘর দু’টি আকারে ছোট এবং এক তলা বিশিষ্ট।

অন্দরমহলের প্রাসাদ: অন্দরমহলে অবস্থিত উত্তর-দক্ষিণে লম্বা প্রাসাদ ৩ টির সাধারণ বিশেষত্ব হল- সামনের দেয়ালে অলংকৃত স্তম্ভ (column), বারান্দায় ঢালাই লোহার অলংকৃত রেলিং, প্রতিটি তলার ছাদে লোহার বিম, কড়ি-বরগা, টালি ও চুন-সুরকি, বারান্দার তোরণ ও প্রবেশ পথগুলোতে সেগমেন্টাল খিলান ও অর্ধবৃত্তাকার খিলান এবং প্রবেশপথগুলোতে কাঠের চৌকাঠ এবং খড়খড়িবিশিষ্ট কাঠের কপাটের ব্যববহার রয়েছে। অন্দরমহলের এ প্রাসাদ তিনটির মধ্যে পূর্বদিকের দু’টি প্রাসাদের মাঝখানে সরু আঙ্গিনা (courtyard) রয়েছে। 

চিত্র: বালিয়াটি জমিদার বাড়ির [বালিয়াটি প্রাসাদ জাদুঘর] অন্দরমহলে অবস্থিত সর্বপশ্চিম পাশের প্রাসাদ।

চিত্র: বালিয়াটি জমিদার বাড়ির [বালিয়াটি প্রাসাদ জাদুঘর] অন্দরমহলে অবস্থিত সর্বপূর্ব পাশের প্রাসাদ।

চিত্র: বালিয়াটি জমিদার বাড়ির [বালিয়াটি প্রাসাদ জাদুঘর] অন্দরমহলে অবস্থিত মাঝখানের প্রাসাদ।

চিত্র: বালিয়াটি জমিদার বাড়ির [বালিয়াটি প্রাসাদ জাদুঘর] অন্দরমহলের সানবাঁধানো ঘাটবিশিষ্ট একমাত্র পুকুর।

ঐতিহাসিক পটভূমি: জানা যায় যে, জনৈক গোবিন্দ রাম সাহা হলেন বালিয়াটি জমিদারীর মূল প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ছিলেন ১৮ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ের একজন প্রখ্যাত লবণ ব্যবসায়ী। ঐ সময়ে তিনি লবণ ব্যবসা করে প্রচুর ধন-সম্পদের মালিক হন। আরো জানা যায়, গোবিন্দ রাম সাহার ৪ জন পুত্র সন্তান ছিল। এরা হলেন – দধী রাম, পণ্ডিত রাম, আনন্দ রাম ও গোলাপ রাম। ধারণা করা হয়, বালিয়াটি জমিদার বাড়ির প্রাসাদগুলো তাঁর পুত্রদের আমলে নির্মিত। ঐতিহাসিক দিক ও স্থাপত্যিক বৈশিষ্ট্য দেখে প্রতীয়মান হয়, তাঁরা সম্ভবত ১৯ শতাব্দী থেকে ২০ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে বালিয়াটি জমিদার বাড়িটিতে পর্যায়ক্রমে প্রাসাদগুলো নির্মাণ করেন।

বালিয়াটি জমিদার বাড়ি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ঘোষিত একটি সংরক্ষিত পুরাকীর্তি ও প্রত্নস্থল। যা বর্তমানে বালিয়াটি প্রাসাদ জাদুঘর নামে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীন পরিচালিত হয়ে আসছে। রবিবারের সাপ্তাহিক ছুটির দিন ব্যতিত প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা নির্ধারিত প্রবেশমূল্যের বিনিময়ে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়।


তথ্যসূত্র:
১.বালিয়াটি প্রাসাদ জাদুঘর, সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ।
২. প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর, ঢাকা, বাংলাদেশ।


লেখক: মো. শাহীন আলম, প্রত্নতত্ত্ব, বাংলাদেশ।


 

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *