নীল নদের দান: প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা

সুপ্রাচীনকাল হতে নীল নদ মিশরের জীবন জীবিকার উপর মূল ভূমিকা পালন করে। নীল নদের তীরের উর্বর সমতল ভূমি এ অঞ্চলের অধিবাসীদের স্থায়ী কৃষি অর্থনীতি ও কেন্দ্রীভূত সমাজ গঠনে সাহায্য করে। শিকারী ও সংগ্রাহক মানুষ মধ্য প্লাইস্টোসিন যুগের শেষ ভাগে (প্রায় বার লক্ষ বছর আগে) এ অঞ্চলে বসবাস করতে শুরু করে। পরবর্তী প্যালিওলিথিক যুগ থেকে উত্তর আফ্রিকার শুষ্ক জলবায়ু আরও উষ্ণ ও শুষ্ক হতে শুরু করে। যার ফলে এ অঞ্চলের মানুষ নীল নদের উপত্যকায় ঘন জনবসতি গড়ে তুলতে থাকে। খ্রিস্টপূর্ব ৩১৫০ – ৫০ অব্দ সময়ব্যাপীর এ প্রাচীন সভ্যতা সম্পর্কে নিম্নে সংক্ষেপে তুলে ধরা হল:

১. প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল- নীল নদের তীরে।
২. ১২ মাসে বছর, ৩০ দিনে মাস এ গণনারীতি- মিশরীয়দের দ্বারা সূচিত।
৩. ৩৬৫ দিনে বছর গণনা শুরু করে- মিশরীয়রা।
৪. প্রাচীন মিশরীয়রা তাদের ভাব প্রকাশ করত- হায়ারোগ্লিফিক বর্ণ দিয়ে।
৫. প্রথম পর্যায়ে মিশরীয়দের লিপি ছিল- চিত্রভিত্তিক।


৬. প্রাচীন মিশরের ফারাও রাজা তুতেনখানের সমাধি আবিষ্কৃত হয়- ১৯২২ সালে।
৭. ‘মিশরকে নীল নদের দান’ বলে অভিহিত করেছেন ইতিহাসের জনক- হেরোডোটাস।
৮. ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্মাতা বলা হত- মিশরীয়দেরকে।
৯. ক্লিওপেট্রা ছিলেন- মিশরের রানী।
১০. পৃথিবীর সবচেয়ে পুরাতন কীর্তিস্তম্ভ মিশরের- পিরামিড।


[সংকলিত]


[Keywords: Ancient Egypt Civilization, International History, Mishariya Savwata, Civility on the bank of the Nile river, Misariya Sabhwata, History of Egypt, Middle Pleistocene, the late Paleolithic period, General Knowledge, মিশরের ইতিহাস, সাধারণ জ্ঞান, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি]


 

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *