সাধারণ জ্ঞান: পৃথিবীর প্রাচীন সভ্যতা

১. বিশ্বের প্রাচীনতম সভ্যতা হল – মেসোপটেমিয়া।
২. মেসোপটেমিয়া সভ্যতার বিকাশ ঘটে – আনুমানিক ৫০০০খ্রিস্টপূর্বাব্দে ইরাকের টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর তীরে।
৩. মেসোপটেমিয়া শব্দটি এসেছে – গ্রীক শব্দ হতে।
৪. মেসোপটেমিয়া সভ্যতার অন্তর্ভূক্ত হল – সুমেরীয়, ব্যাবিলনীয়, অ্যাসেরীয় ও ক্যালডীয় সভ্যতা।
৫. মেসোপটেমিয়া সভ্যতা গড়ে তুলেছিল – সুমেরীয়গণ।
৬. সুমেরীয়দের আয়ের প্রধান উৎস ছিল – কৃষি।
৭. সুমেরীয়দের সবচেয়ে বড় আবিষ্কার হল – চাকা (wheel)।
৮. ব্যাবিলনীয় সভ্যতার স্থপতি ছিলেন – বিখ্যাত আমোরাইট নেতা হাম্মুরাবি।
৯. পৃথিবীতে প্রথম লিখিত আইনের প্রচলন হয় – ব্যাবিলনীয় সভ্যতায়।
১০. প্রথম লিখিত আইন প্রনেতা ছিলেন – ব্যাবিলনীয় সভ্যতার স্থপতি হাম্মুরাবি।
১১. পৃথিবীর প্রাচীনতম মানচিত্র পাওয়া যায় – ব্যাবিলনের উত্তরের গাথুর শহরের ধ্বংসাবশেষে।
১২. পৃথিবীকে সর্বপ্রথন অক্ষাংশ (latitude) ও দ্রাঘিমাংশে (longitude) ভাগ করে – অ্যাসেরীয় সভ্যতা।
১৩.  অ্যাসেরীয় সভ্যতায় সর্বপ্রথম বৃত্তকে – ৩৬০  ভাগ করে।
১৪. প্রথম লোহার অস্ত্রে সজ্জিত বাহিনী গঠন করে – অ্যাসেরীরা।
১৫. ব্যাবিলনের শূণ্য উদ্যান তৈরি করেন – সম্রাট নেবুচাদনেজার।
১৬. ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান – ইরাকে অবস্থিত।
১৭. ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান – পৃথিবীর প্রাচীন সপ্তাশ্চর্যের মধ্য অন্যতম।
১৮. সর্বপ্রথন সপ্তাহকে ৭দিনে ও প্রতিদিনকে ১২ ঘন্টায় ভাগ করে – ক্যালডীয়রা।
১৯. আধুনিক তুরস্ক, সিরিয়া, ইরান, ইরাক ও কুয়েত এ রাষ্ট্রগুলো – প্রাচীন মেসোপটেমিয়া সভ্যতার অংশ। তবে বেশির ভাগই ছিলে – ইরাকে।
২০. প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল –   নীল নদের তীরে।
২১. প্রাচীন মিশরীয়রা মনের ভাব প্রকাশ করতেন –   হায়ারোগ্লিফিক বর্ণে।
২২. পৃথিবীর সবচেয়ে পুরাতন কীর্তিস্তম্ভ –   পিরামিড।
২৩. প্রাচীন মিশরের ফারাও রাজা তুতেনখামেনের সমাধি আবিষ্কৃত হয় – ইংরেজি ১৯২২ সালে।
২৪. সিন্ধু সভ্যতার প্রতিষ্ঠাতা – দ্রাবিড়গণ।
২৫. সিন্ধু সভ্যতা –   তাম্র যুগের সভ্যতা।
২৬. সভ্যতার ইতিহাসে ফিনিশীয়দের সবচেয়ে বড় অবদান – বর্নমালা আবিষ্কার ।
২৭. গণতন্ত্রের জম্ন হয়েছিল – গ্রিসে।
২৮. প্রথম লোহার আবিষ্কার হয় – এশিয়ার মাইনরে।
২৯. হেলেনীয় সভ্যতার দেশ হল – গ্রিস ।
৩০. গ্রীক দার্শনিক সক্রেটিস এর ছাত্র ছিলেন  – দার্শনিক প্লেটো এবং প্লেটোর ছাত্র ছিলে – বিখ্যাত দার্শনিক এরিস্টটল।


Keywords: সাধারণ জ্ঞান: পৃথিবীর প্রাচীন সভ্যতা, সাধারণ জ্ঞান, পৃথিবীর প্রাচীন সভ্যতা, পৃথিবীর সভ্যতা, প্রাচীন সভ্যতা, মেসোপটেমিয়া সভ্যতা, সুমেরীয়, ব্যাবিলনীয়, অ্যাসেরীয়, ক্যালডীয় সভ্যতা, প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা, সিন্ধু সভ্যতা, Indus Civilization, Egypt Civilization, Mesopotamia Civilization, Civilization, General Knowledge, Ancient civilization.