সাধারণ বিজ্ঞান: পদার্থ (substance)

১. পদার্থ সাধারনত তিনটি অবস্থায় থাকে –  কঠিন, তরল ও বায়বীয়।
২. পানি এক মাত্র পদার্থ যা –  তিনটি অবস্থায় থাকতে পারে। পানি প্রকৃতিতে কঠিন(বরফ), তরল(পানি) ও বায়বীয়(জলীয় বাষ্প) অবস্থায় থাকতে পারে।
৩.  যে তাপমাত্রায় কোন পদার্থ কঠিন অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় পরিনত হয় , তাকে সে পদার্থের – গলনাংক বলে।
৪. পানির গলনাংক – ০সেন্টিগ্রেড।
৫.  যে তাপমাত্রায় কোন পদার্থ ফুটতে থাকে, তাকে সে পদার্থের –  স্ফুটনাংক বলে।
৬. পানির স্ফুটনাংক – ১০০সেন্টিগ্রেড।
৭. কঠিন পদার্থকে উত্তপ্ত করলে তা তরলে পরিনত না হয়ে তা সরাসরি বাষ্পে রুপান্তরিত হয়, আর এ প্রক্রিয়াকে – ঊর্ধপাতন বলে।
৮.  যে সব পদার্থকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত করলে ঐ পদার্থ ছাড়া অন্য কোন পদার্থ পাওয়া যায়না তাদেরকে – মৌল বা মৌলিক পদার্থ বলা হয়।
৯. পৃথিবীতে বর্তমানে মৌলিক পদার্থের সংখ্যা – ১১৮ টি।
১০. প্রকৃতিতে পাওয়া যায় – ৯৮ টি মৌলিক পদার্থ ।
১১. কৃত্রিম উপায়ে পাওয়া যায় – ২০টি মৌলিক পদার্থ ।
১২. পরমাণুর নামকরন করেন – ডেমোক্রিটাস ।
১৩. সবচেয়ে হালকা মৌল/গ্যাস – হাইড্রোজেন।
১৪. সবচেয়ে ভারী মৌলিক গ্যাস – রেডন ।
১৫. অক্সিজেনের আনুবিক ভর – ৩২গ্রাম ।
১৬. পানির রাসায়নিক সংকেত – H2O এবং ভারী পানির রাসায়নিক সংকেত – D2O ।
১৭. Boron এবং Zirconium – আরবি ভাষা থেকে এসেছে।
১৮. পটাসিয়াম মৌলটির প্রতীক হল – K ।
১৯. ইলেকট্রনের আবিষ্কারক হলেন – জে জে থমসন।
২০. প্রোটন আবিষ্কার করেন – আনের্স্ট রাদারফোর্ড।
২১. পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকে – নিউট্রন ও প্রোটন।
২২.  যে সকল পরমাণুর পরমাণুবিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন, তাদেরকে পরস্পরের – আইসোটোপ (isotope) বলে।
২৩. পরমাণুবিক চুল্লিতে বহুল ব্যবহৃত আইসোটোপ হল  -(235U92 )।
২৪.  যে সকল পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ও ভর সংখ্যা ভিন্ন, তাদেরকে পরস্পরের – আইসোটোন (isotone) বলে।
২৫.  যে সকল পরমাণুর ভর সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন, তাদেরকে পরস্পরের – আইসোবার (isobar) বলে।
২৬. ক্যানসার চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা বিকিরণের উৎস হল – আইসোটোপ।
২৭. সবচেয়ে বেশি নিষ্কিয় মৌল হল – হিলিয়াম(He)।

সংগ্রহে:
মো. সাইফুল ইসলাম
হিসাব বিজ্ঞান বিভাগ
সরকারি ভোলা কলেজ, ভোলা।

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *